১টি সিগারেটে ৪,০০০ এর ও বেশী উপাদান থাকে, এরমধ্যে ৪৩টি উপাদান সরাসরি ক্যান্সার এর জন্য দায়ী যাকে আমরা কার্সিনোজেন বলে থাকি। এসকল রাসায়নিক পদার্থ গুলো যেমন বিভিন্ন শিল্প কারখানায় ব্যবহার করা হয় তেমনি কিছু কিছু পদার্থ শিল্প কারখানায় বর্জ্য হিসাবেও তৈরী হয়ে থাকে। নীচে সিগারেটের কিছু উপাদানের অন্যান্য ব্যবহার দেয়া হলো।

১) এম্যোনিয়াঃ গৃহাস্থলী পরিষ্কারের বিভিন্ন ক্লিনিং সামগ্রী তৈরীতে ব্যাবহার করা হয়।
২) আর্সেনিকঃ ইঁদুর মারার বিষ তৈরীতে ব্যাবহৃত হয়।
৩) বেঞ্জিনঃ কাপড়ের রঙ ও সিন্থেটিক রাবার তৈরীতে ব্যাবহার হয়ে থাকে।
৪) বিউটানঃ লাইটারের ফ্লুইডে এই উপাদান থাকে।
৫)ক্যাডমিয়ামঃ ব্যাটারী তৈরীর অন্যতম উপাদান।
৬)ডিডিটিঃ নিষিদ্ধ কীটনাষক হিসাবে ব্যাবহৃত হয়।
৭)ফর্মাল্ডিহাইডঃ মৃত জীব জন্তু সংরক্ষণে ব্যাবহৃত হয়।
৮)মেথোপ্রিনঃ একধরণের কীটনাষক।
৯)নেপথলিনঃ মথবল তৈরীর প্রধান উপাদান।
১০)কার্বন মনোক্সাইডঃ এক ধরনের বিষাক্ত গ্যাস।
১১) সায়ানাইডঃ খুব মারাত্নক এক ধরনের বিষ।
১২) আইসো সায়ানেটঃ এক ধরণের বিষাক্ত গ্যাস, যা ১৯৮৪ সালে ভুপাল ট্রাজেডি এর জন্য দায়ী। এই দূর্ঘটনায় ২০০০ জন মারা যান।

0